Showing posts with label Propaganda. Show all posts
Showing posts with label Propaganda. Show all posts

ফেনী ডিসি মনিরা হকের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রচারিত অভিযোগ মিথ্যা: তদন্তে উঠে এলো সত্য

 


ফেনী ডিসি মনিরা হকের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রচারিত অভিযোগ মিথ্যা: তদন্তে উঠে এলো সত্য

ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হকের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত নেতিবাচক সংবাদগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চালিয়ে তদন্তে দেখা গেছে, অভিযোগগুলো অতিরঞ্জিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

গত ২ জুলাই ও ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে ‘দৈনিক শীর্ষ নিউজ’ নামক একটি অনলাইন পত্রিকায় ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হকের বিরুদ্ধে তিন পর্বে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদগুলোতে কৃষিজমি সুরক্ষা আইন প্রয়োগে ব্যর্থতা, মাটিখেকো সিন্ডিকেটকে ছাড়, মাদকের বিস্তার, অবৈধ ইটভাটা থেকে চাঁদাবাজি, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণে বাধা এবং খাল খনন প্রকল্পে সাড়ে ১১ কোটি টাকার অর্ধেক আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে, এই অভিযোগগুলোর বেশিরভাগই বাস্তবসম্মত নয়। মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক মনিরা হক কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তথ্য পাওয়ামাত্রই ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। ইটভাটা, অবৈধ মাটি কাটা ও বালুমহল দখলের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে জানা গেছে, দাগনভূঁইয়া উপজেলার রাজাপুর ও কোরেশ মুন্সী এলাকায় ভবন নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ভূমি ওয়াকফ এস্টেটের নামে রেকর্ডভুক্ত এবং মালিকানা নিষ্পত্তি না হওয়ায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এটি আইনসম্মত পদক্ষেপ।

খাল খনন প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগও তদন্তে সত্য বলে প্রমাণিত হয়নি। এখন পর্যন্ত ফেনী জেলার কোথাও খাল খননের বিল উপস্থাপন করা হয়নি। শুধু সোনাগাজী উপজেলায় বিল দাবি করা হয়েছে। খাল খনন প্রকল্পগুলোর দায়িত্ব ইউএনও ও পিআইওদের। সোনাগাজীর ডাংখি খালের প্রাক্কলিত ব্যয় অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হলে জেলা প্রশাসক নিজেই পুনঃযাচাইয়ের নির্দেশ দেন। এর ফলে ব্যয় কমিয়ে ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

তদন্তে আরও জানা গেছে, গত ১ জুলাই জেলা প্রশাসক ফেনীর সকল সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালকে নিয়মের আওতায় আনতে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এতে ঘোষণাপত্র প্রমাণীকরণ ও নিবন্ধনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এই পদক্ষেপের কারণে কিছু অনিবন্ধিত ও ভুয়া সাংবাদিক ক্ষুব্ধ হয়ে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেনীতে অনিবন্ধিত পত্রিকা, ইউটিউবার ও ভুয়া সাংবাদিকদের চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

তদন্তে জানা যায়, হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই এ ধরনের নেতিবাচক প্রচার হতে পারে। উদ্দেশ্যমূলক ও অসত্য সংবাদগুলো সরিয়ে ফেলতে ইতোমধ্যে সংবাদ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক মনিরা হককে দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশাসক হিসেবে অভিহিত করে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী। 

© all rights reserved
made with by templateszoo