এটাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ ওয়ামী লীগের চরম বৈশিষ্ট্য — মিথ্যা, গুজব আর পুরোনো ভিডিওর ভরসায় টিকে থাকা

0

২৩ জুন ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। কিন্তু এই দিনে তাদের কর্মীরা খোলাখুলি কোনো বড় সমাবেশ বা মিছিল করার সাহস পায়নি। কারণ জনগণের সামনে মুখ দেখানোর যোগ্যতা তাদের আর অবশিষ্ট নেই। তাই নিঝুম মজুমদারসহ আরও অনেকে পুরোনো ভিডিও ও ছবি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। যেন এই পুরোনো ফুটেজ দেখিয়ে জনগণকে বোঝানো যাবে যে, তাদের এখনও শক্তি আছে।


বাস্তবতা কিন্তু একেবারে ভিন্ন।
২০২৪ এর বছরের জুলাই-আগস্টে এই আওয়ামী লীগ সরকার ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের সামনে নির্মমভাবে গুলি চালিয়েছে। প্রায় ১৪০০ নিরীহ ছাত্র ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। রক্তাক্ত রাস্তায় লাশ পড়ে থাকতে দেখেও তাদের দম্ভ কমেনি। কিন্তু ৫ আগস্ট সেই দম্ভের চূড়ান্ত পতন ঘটেছে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতা-কর্মীরাও আজ পলাতক, গ্রেপ্তার এড়িয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যে দল একসময় ক্ষমতার দম্ভে দেশ শাসন করত, আজ তারা চোরাগোপ্তা মিছিল আর অনলাইন গুজব ছাড়া আর কিছুই করতে পারছে না।
এখন তাদের একমাত্র ভরসা অনলাইনে গুজব ছড়ানো। পুরোনো ভিডিওতে নতুন তারিখের ক্যাপশন লাগিয়ে, এডিট করে, বা সম্পূর্ণ মিথ্যা কনটেক্সট দিয়ে পোস্ট করা — এটাই তাদের নতুন রণকৌশল। কিন্তু জনগণ আর এসব মিথ্যায় ভুলছে না। সবাই দেখছে — যে দল জনগণের রক্তে হাত রাঙিয়েছে, আজ সেই দলই লুকিয়ে-ছাপিয়ে ছোট ছোট ঝটিকা মিছিল করে আর পুরোনো ফুটেজ ছড়িয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জাহির করার চেষ্টা করছে।
এই পলাতক দলের আর কোনো ভিত্তি নেই। জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে তাদের সব দম্ভ ভেঙে পড়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে তারা আর জনসমর্থনের মুখোমুখি হতে পারছে না। তাই অনলাইনেই তাদের যুদ্ধ — গুজবের যুদ্ধ। কিন্তু এই যুদ্ধও তাদের বাঁচাতে পারবে না।জনগণ সজাগ। জনগণ সতর্ক।
আওয়ামী লীগের এই মিথ্যা প্রচার আর চলবে না।

No comments

Post a Comment

© all rights reserved
made with by templateszoo