একদিকে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর অন্যদিকে দেশ অস্থিতিশীল করার পায়তারা! কলকাঠি নাড়ছে কারা?

0

 একদিকে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর

অন্যদিকে দেশ অস্থিতিশীল করার পায়তারা! 

কলকাঠি নাড়ছে কারা?


প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ঠিক প্রাক্কালে দেশজুড়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পতিত আওয়ামী সংখ্যালঘু লীগ।

২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরেও এদের তৎপরতা একটুও কমেনি। তাদের কৌশল একেবারে পুরোনো ও পরীক্ষিত — মাইর খাওয়ার আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলা, আর মাইর খাওয়ার পরপরই বিশ্বব্যাপী “ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতিত” হয়ে কান্নাকাটি শুরু করা। এই সস্তা ফাঁদে কেউ যেন পা না দেন।

অথচ বাস্তবতা হলো — ভারতে হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিবাদের জমানায় বিজেপি-আরএসএসের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হাজার হাজার মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ, মাজার, এতিমখানা, কবরস্থান ও গির্জা গুড়িয়ে দিয়েছে। সোনার বাংলায় শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত হিন্দু সমাজের একটা বড় অংশ এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে একটা শব্দও উচ্চারণ করে না। নাগরিকত্ব যে দেশেরই হোক, চিন্তা-মনস্তত্ত্বে তারা অনেকেই বিজেপির ‘অখণ্ড ভারত’ স্বপ্নে বিশ্বাসী।

এখন যদি এই চক্র দেশে ইচ্ছাকৃতভাবে দাঙ্গা-অস্থিরতা তৈরি করে, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না, অর্থনীতি আরও ধ্বংস হবে, মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হবে। এটাই তাদের উদ্দেশ্য — দেশকে অস্থিতিশীল করে ফেলা।

দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর উচিত এদের ওপর বিশেষ নজরদারি বাড়ানো। না হলে আখেরে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব গুরুতর হুমকির মুখে পড়বে।

তবে আমরা স্পষ্ট করে বলছি — আমরা কোনো ধর্মের নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার বিপক্ষে। আমরা বিজেপি-আরএসএসের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবসময় উদার গণতন্ত্র, সম্প্রীতি ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে। এটাই আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব এবং এটাই আমাদের শক্তি।

দেশকে অস্থিরতার আগুনে পুড়িয়ে লাভ কার? শুধু দেশের শত্রুদের।

No comments

Post a Comment

© all rights reserved
made with by templateszoo