মাইলস্টোন ট্রাজেডি; শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে সেদিন সেনাবাহিনী দ্রুত সহযোগিতায় নেমেছিল

0

মাইলস্টোন ট্রাজেডি; শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে সেদিন সেনাবাহিনী দ্রুত সহযোগিতায় নেমেছিল

এক বছর আগের সেই ভয়াবহ দিনটির স্মৃতি এখনও বুকে বাজে। ২১ জুলাই ২০২৫, উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ দুর্ঘটনায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়, যাদের অধিকাংশই ছিল নিরীহ শিক্ষার্থী। আহত হয়েছিলেন প্রায় ১৭০ জনের বেশি।

তবে ট্রাজেডির মাঝেও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল সেনাবাহিনীর দ্রুত ও সমন্বিত উদ্ধার তৎপরতা। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর অন্যান্য বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে তারা দিনরাত পরিশ্রম করেন।

# তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান: দুর্ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনীর মেডিকেল টিম, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিট ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে তারা বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে।

#চিকিৎসা সহায়তা: আহতদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর মেডিকেল কর্পস সরাসরি সম্পৃক্ত হয়। ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে অতিরিক্ত চিকিৎসক ও নার্স মোতায়েন করা হয়।

সমন্বয়: সেনাবাহিনী ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। এতে অনেক শিক্ষার্থীর জীবন বেঁচে যায়।

এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর দ্রুত সাড়া ও পেশাদারিত্ব দেশবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেক অভিভাবক সেনাসদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এক বছর পর আজও মাইলস্টোন ট্রাজেডির ক্ষত মোছেনি। নিহতদের স্মরণে দেশজুড়ে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেনাবাহিনীর এই দ্রুত সহযোগিতা প্রমাণ করে যে, জাতীয় দুর্যোগ বা দুর্ঘটনার মুহূর্তে সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়ায়।

নিহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আহতদের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করি।

এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সব পক্ষকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

No comments

Post a Comment

© all rights reserved
made with by templateszoo