কোথায় সন্তু লারমা, কোথায় সুহাস চাকমা, কোথায় পিটি চাকমা?

0

 কোথায় সন্তু লারমা, কোথায় সুহাস চাকমা, কোথায় পিটি চাকমা?

পার্বত্য চট্টগ্রাম এখন পানির নিচে। বন্যায় ঘরবাড়ি ডুবে গেছে, রাস্তাঘাট বিধ্বস্ত, মানুষ খাদ্য ও আশ্রয়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এই সংকটময় মুহূর্তে সেনাবাহিনী মাঠে নেমে ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার অভিযান ও রাস্তা মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পাহাড়ের তথাকথিত নেতারা কোথায়?

সন্তু লারমা, সুহাস চাকমা, পিটি চাকমাসহ জেএসএস, ইউপিডিএফ ও পিসিসিজেএসএস-এর শীর্ষ নেতৃত্বের কোনো দেখা নেই। বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ত্রাণ বিতরণ বা দুর্গতদের সাহায্য করার কোনো উদ্যোগ তাদের পক্ষ থেকে নেই। তারা শুধু অনলাইনে বসে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, সরকার ও সেনাবাহিনীর সমালোচনা করছেন আর নিজেদের “জননেতা” হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন।

বাস্তবে চিত্রটা ভয়ংকর:

  • যখন পাহাড়ি-বাঙালি সাধারণ মানুষ পানি আর দুর্ভোগে ভাসছে, তখন এই নেতারা নিরাপদ আশ্রয়ে বসে ফেসবুক-পোস্ট মারছেন।
  • ত্রাণের নামে যা কিছু আসে, তার বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক।
  • দুর্যোগের সময়ও চাঁদা আদায়ের তৎপরতা কমেনি।

এরা জনগণের নেতা নয়, নিজেদের স্বার্থের ঠিকাদার। বছরের পর বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতা বজায় রেখে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। জনগণের বিপদে পাশে দাঁড়ানো তাদের এজেন্ডায় নেই।

সেনাবাহিনী যখন ঝড়-বৃষ্টি-পানির মধ্যে মানুষের জন্য কাজ করছে, তখন এই নেতারা কেবল কথার ফুলঝুরি ছাড়ছেন। এটাই তাদের আসল চরিত্র। জনগণের দুর্ভোগকে তারা রাজনৈতিক ফায়দা হিসেবে ব্যবহার করতে চান, কিন্তু সাহায্য করতে চান না।

তোমরা যদি সত্যিকারের নেতা হও, তাহলে বন্যার্ত মানুষের পাশে কেন নেই? কেন শুধু অনলাইনে বসে পোস্ট মারো আর চাঁদা তুলে নিজেদের পকেট ভরো?

পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ এখন স্পষ্ট করে দেখতে পাচ্ছে — আসল সেবা আসছে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের কাছ থেকে, আর তথাকথিত নেতারা শুধু নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত।

পাহাড়ের জনগণের জন্য এই সত্যটা উপলব্ধি করার সময় এসেছে।

চাঁদাবাজি, অনলাইন প্রচার আর ফাঁকা বুলির রাজনীতি আর চলবে না। পাহাড়ের মানুষ শান্তি ও উন্নয়ন চায় — কথার নেতা নয়, কাজের নেতা চায়।

No comments

Post a Comment

© all rights reserved
made with by templateszoo