অপরাধীর শার্ট নিয়ে গুজব: কারা পুলিশের সাফল্য ঢাকতে নতুন ন্যারেটিভ বানাচ্ছে?

0

অপরাধীর শার্ট নিয়ে গুজব: কারা পুলিশের সাফল্য ঢাকতে নতুন ন্যারেটিভ বানাচ্ছে? রংপুরের চার খুনের ঘটনায় পুলিশ দ্রুত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রমাণও উদ্ধার হয়েছে। এখনও কিছু মানুষ অপরাধীর শার্ট নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াই বলা হচ্ছে—শার্টের রং বা নকশা দেখে বুঝা যাচ্ছে অপরাধী অন্য কেউ, পুলিশ ভুল লোক ধরেছে, পুলিশ নতুন গল্প ফাঁদছে! ইত্যাদি।

এই গুজব কেন ছড়ানো হচ্ছে?

কারণ মূল ন্যারেটিভ ভেঙে গেছে। অপরাধী হিন্দু হওয়ায় “সংখ্যালঘু নির্যাতন” কার্ড খেলা যায়নি। তাই এখন নতুন গল্প বানানোর চেষ্টা চলছে। কেউ বলছে পুলিশের তদন্তে গরমিল আছে, কেউ বলছে স্বীকারোক্তি জোর করে নেওয়া হয়েছে, কেউ শার্টের মতো তুচ্ছ বিষয় ধরে সন্দেহ তৈরি করছে। উদ্দেশ্য একটাই—পুলিশের সাফল্যকে ছোট করা এবং অপরাধীদের ওপর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়া।

কে এই কাজ করছে? যারা সবসময় একপাক্ষিক ন্যারেটিভ চালায়। যখন অপরাধী মুসলিম হয়, তখন তারা সোচ্চার হয়। কিন্তু অপরাধী হিন্দু হলে চুপ করে যায় বা নতুন করে গুজব তৈরি করে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাতে চায় না। বরং পুলিশের কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে নিজেদের পুরনো এজেন্ডা বাঁচিয়ে রাখতে চায়।

বাস্তবতা হলো—পুলিশ কম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের ধরেছে, স্বীকারোক্তি নিয়েছে এবং আদালতে হাজির করেছে। এটাই এখন পর্যন্ত সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য। শার্টের গুজব বা অন্য কোনো অপ্রমাণিত কথা দিয়ে এই সত্যকে ঢাকা যায় না।

অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা যারা করছে, তারা আসলে ন্যায়বিচারের পক্ষে নয়। তারা শুধু নিজেদের ন্যারেটিভ বাঁচাতে মরিয়া। আর ভিন্ন দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে সচেষ্ট। কারণ সাম্প্রদায়িক উস্কানি ভারতের মিডিয়া প্রতিনিয়ত দিয়েেই যাচ্ছে। দেখলে মনে হয়, বাংলাদেশের হিন্দুরা বাংলাদেশের নাগরিক নয়, তারা ভারতের নাগরিক!

No comments

Post a Comment

© Trendingbuzz24.com all rights reserved
made with by Trendingbuzz Team