বিএএফের ভিভিআইপি পাইলট নিয়োগ: নিরাপত্তা ছাড়পত্রে পিয়ার রিভ্যালরির অভিযোগ বিবেচনা করা হয়েছে

0


বিএএফের ভিভিআইপি পাইলট নিয়োগ: নিরাপত্তা ছাড়পত্রে পিয়ার রিভ্যালরির অভিযোগ বিবেচনা করা হয়েছে

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর (বিএএফ) ১০১ স্পেশাল ফ্লাইট ইউনিটের কমান্ড্যান্ট এয়ার কমোডোর রেজার বিরুদ্ধে সম্প্রতি উঠে আসা অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিভিআইপি হেলিকপ্টার পাইলট ছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই অভিযোগগুলো নিরাপত্তা ছাড়পত্র (সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স) দেওয়ার আগেই বিবেচনা করা হয়েছে।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগগুলো মূলত বিএএফের অভ্যন্তরীণ পিয়ার-লেভেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে উদ্ভূত। ২০২৫ সালের শেষার্ধে ১০১ স্পেশাল ইউনিটের কমান্ড্যান্ট পদ খালি থাকাকালে অন্যান্য হেলিকপ্টার পাইলটদের পক্ষ থেকে এই ধরনের তথ্য ছড়ানো হয়। বাস্তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পুরো ১৬ বছরে এয়ার কমোডোর রেজা শুধু একবার কো-পাইলট হিসেবে শেখ হাসিনার সঙ্গে উড়েছিলেন। ২০২১ সালে সেই মিশনে ক্যাপ্টেন ছিলেন এয়ার কমোডোর মাহফুজ।

নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করে, শুধু একবার কো-পাইলট হিসেবে উড়ার অভিজ্ঞতাকে বড় কোনো উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখার যৌক্তিকতা নেই। ভিভিআইপি পাইলট হওয়ার জন্য দীর্ঘ ও কঠোর প্রশিক্ষণ এবং সার্টিফিকেশন প্রয়োজন। বর্তমানে আওয়ামী লীগ আমলের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে উড়ার অভিজ্ঞতা নেই এমন যোগ্য পাইলট খুঁজে পাওয়া কঠিন। এ কারণে সময় লাগতে পারে।

সূত্র জানিয়েছে, এয়ার কমোডোর রেজা বিএএফের সিনিয়র নেতৃত্বের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং অনুকূল আচরণ পেয়ে থাকেন। এটাই হয়তো কিছু সহকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষের কারণ হয়েছে। তবে নিরাপত্তা ছাড়পত্র দেওয়ার সময় এই সব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএএফকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে বিতর্কিত অতীত নেই এমন নতুন ভিভিআইপি পাইলট তৈরির প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হয়। এতে করে এ ধরনের অভিযোগ ও অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

No comments

Post a Comment

© all rights reserved
made with by templateszoo